মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

সুন্দরবনে মাছ ধরার অনুমতি প্রদানঃ

যে সকল মৎস্যজীবী সুন্দরবনে মাছ ধরতে যান তারা অর্থ বছরের প্রথমে বন বিভাগের স্টেশনে গিয়ে বিভাগীয় দপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক মাছ ধরার নৌকা নিবন্ধন করাবেন। অতঃপর সরকার কর্তৃক ধার্যকৃত জনপ্রতি ০৭ (সাত) দিনের রাজস্ব পরিশোধপূর্বক বনে প্রবেশের জন্য পারমিট গ্রহণ করবেন এবং বনে প্রবেশ করবেন। সুন্দরবনের অভয়ারন্য ও নিষিদ্ধ খাল ব্যতীত তারা মৎস্য আহরণ করবেন। আহরণ শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট স্টেশনে পারমিট জমা প্রদান করে আহরিত মাছের রাজস্ব প্রদান করতঃ সার্টিফিকেট গ্রহণ করবেন।

                 

সুন্দরবনে ভ্রমনের অনুমতি প্রদানঃ

সুন্দরবনে ভ্রমণে যাবার প্রাক্কালে ভ্রমনকারীদের নামের তালিকা, স্থানের নাম, ভ্রমণের সময়সীমা উল্লেখপূর্বক লঞ্চের সার্ভে সনদসহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করতে হবে। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা  আবেদন যাচাই বাছাই করতঃ ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আবেদনের বিষয়টি নিষ্পত্তি করেন। নিবন্ধিত/অনিবন্ধিত ট্যুরিস্ট লঞ্চের মাধ্যমে পর্যটকদের সুন্দরবনে ভ্রমণের অনুমতি প্রদান করা হয়। সংশ্লিষ্ট বন স্টেশনে সরকার কর্তৃক ধার্যকৃত রাজস্ব পরিশোধ সাপেক্ষে ভ্রমণকারীদের সুন্দরবনে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করা হয়। প্রয়োজনে ধার্যকৃত ফি প্রদান সাপেক্ষে সশস্ত্র নিরাপত্তা দেয়া হয়।

 

গোলপাতা, মধু ও মোম সংগ্রহের অনুমতি প্রদানঃ

বাওয়ালী ও মৌয়ালগন গোলপাতা, মধু ও মোম সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট স্টেশনে নির্দিষ্ট সময়ে বি এল সি সহ নৌকা হাজির করবেন। অতঃপর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কর্তৃক দেয় পরিমানের উপর ভিত্তি করে সংশ্লিষ্ট স্টেশন কর্মকর্তা নৌকা যাচাই বাছাই করতঃ রাজস্ব আদায় পূর্বক গোলপাতা ও মধু সংগ্রহের অনুমতি প্রদান করে থাকেন। সাধারনতঃ অক্টোবর হতে মার্চ পর্যন্ত গোলপাতা এবং পহেলা এপ্রিল হতে জুন পর্যন্ত মধু সংগ্রহের অনুমতি দেয়া হয়। আহরণ শেষে ফেরার পথে সংশ্লিষ্ট স্টেশনে পারমিট জমা প্রদান করে সার্টিফিকেট গ্রহন করতে হয়।

 

মৎস্যজীবী অথবা মৎস্য ব্যবসায়ীদের সুন্দরবনে মাছ ধরার জন্য তালিকাভূক্ত করণঃ

মৎস্যজীবি অথবা মৎস্য ব্যবসায়ীগন তালিকাভুক্তির জন্য বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করলে তদন্ত সাপেক্ষে নির্ধারিত ফি আদায় পূর্বক তালিকাভুক্ত করা হয়। প্রতি বছরের ০১ জুলাই হতে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে তালিকাভূক্তি সম্পন্ন করতে হয়। তবে বিলম্ব ফি প্রদান সাপেক্ষে সারা বছর তালিকাভূক্তি করা যায়।

 

নিলামে বিক্রিত কাঠের পরিবহনের জন্য অনুমতি প্রদানঃ

নিলামে বিক্রিত কাঠ পরিবহনের জন্য বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নিকট আবেদন করলে তদন্ত পূর্বক চলাচল পাশ ইস্যু করা হয়।

 

কাঁকড়া রপ্তানীকারকদের খামার নিবন্ধন এবং কাঁকড়া রপ্তানীর অনাপত্তি (NOC) প্রদানঃ

            কাঁকড়া রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত ফরমে কাঁকড়া খামারের জমির চুক্তিনামাসহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, প্রকৃতি সংরক্ষণ ও বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা বিভাগ, খুলনা বরাবর খামার নিবন্ধনের আবেদন করলে তদন্ত সাপেক্ষে নির্ধারিত রাজস্ব আদায় পূর্বক কাঁকড়া খামার নিবন্ধিত করা হয়।এ ছাড়া কাঁকড়া খামার মালিকগণ জীবিত কাঁকড়া রপ্তানীর নিমিত্তে অনাপত্তি পত্র পাবার জন্য বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করলে তদন্তের ভিত্তিতে সুপারিশকৃত পরিমান কাঁকড়া রপ্তানীর জন্য অনাপত্তি পত্র ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়।

 

কাঁকড়া সংগ্রহের অনুমতি প্রদানঃ

কাঁকড়া সংগ্রহকারীগন সংশ্লিষ্ট বন স্টেশনে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত রাজস্ব প্রদান পুর্বক ০৭ দিন সময়ের জন্য কাঁকড়া সংগ্রহের অনুমতি গ্রহণ করেন। সংগ্রহ শেষে ফেরার পথে সংশ্লিষ্ট স্টেশনে পারমিট জমা প্রদান করতে হয়। কাঁকড়ার প্রজনন সময় জানুয়ারী ও ফেব্রূয়ারি মাসে কাঁকড়া সংগ্রহ সম্পুর্ন নিষিদ্ধ।

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter