মেনু নির্বাচন করুন
বাংলাদেশের দক্ষিন-পশ্চিম অংশে বঙ্গোপসাগরের তীরে সুন্দরবন অবস্থিত। বৃহত্তর খুলনা জেলার দক্ষিনাংশ জুড়ে বনটির বিসত্মৃত। বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখা থেকে উত্তরে প্রায় ৮০.০ কিলোমিটার পর্যমত্ম এর বিসত্মার। সুন্দরবনের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ যথাক্রমে ২১°৩৯র্ থেকে ২২°৩০র্ উত্তর এবং ৮৯°০১র্ থেকে ৮৯°৫২র্ পূর্ব। পশ্চিমে হাড়িয়াভাংগা-রায়মঙ্গল-কালিন্দি নদী যা ভারতের সুন্দরবন সংলগ্ন, পূর্বে বলেশ্বর নদী ও দক্ষিনে বঙ্গোপসাগর। সুন্দরবন বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চবিবশ পরগণা জেলার দক্ষিন অংশজুড়ে বিসত্মৃত। সুন্দরবন পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন। মূঘল আমল (১২০৩-১৫৩৮) থেকেই সুন্দরবন ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে। বেঙ্গল বন বিভাগ স্থাপনের পর ১৮৬০ সন হতে সুন্দরবনকে বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হয়। ১৮৬৯ সনে সুন্দরবনকে বন ব্যবস্থাপনা বিভাগ, খুলনার নিকট ন্যসত্ম করা হয়। ০৯ মে ১৮৮৪ সন হতে সুন্দরবন বন বিভাগ, খুলনা নামে অভিহিত করা  হয়। মিঃ এম ইউ গ্রীন প্রথম বিভাগীয় বন কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০০১ সনে খুলনাকে সদর দপ্তর করে সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও বাগেরহাটকে সদর দপ্তর করে  সুন্দরবন পুর্ব বন বিভাগ নামে বিভক্ত হয়। বর্তমানে সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ সাতক্ষীরা ও খুলনা রেঞ্জ নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। MIST এর কার্যক্রমের সহায়তায় বন কর্মকর্তা/ কর্মচারীগন নিয়মিত টহল এর মাধ্যমে বন সংরক্ষন এবং মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছে।

সাধারণ তথ্য

বর্তমানে সুন্দরবনে প্রচলিত আইনসমুহঃ ১৮৯৪ সালের প্রথম জাতীয় বন নীতির আলোকে সুন্দরবনকে পরিচালনা/নিয়ন্ত্রন করা হতো। সুন্দরবনকে সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সংরক্ষনের জন্য বর্তমানে নিম্নবর্নিত আইন/নীতিমালা প্রয়োগ/অনুস্বরন করা হচ্ছেঃ 1) বন আইন-১৯২৭ ও ইহার সংশোধনী সমুহ 2) বাংলাদেশের জাতীয় বন নীতি-১৯৯৪ 3) বন্যপ্রাণী অধ্যাদেশ-১৯৭৩ ও বন্যপ্রাণী (সংরক্ষন) আইন-১৯৭৪ 4) ইট পোড়ানো আইন-১৯৯১ 5) মাছের নিরাপত্তা ও সংরক্ষণ আইন-১৯৫০ 6) বাঁধ ও নিস্কাশন আইন-১৯৫২ 7) মাছের নিরাপত্তা ও সংরক্ষণ (সংশোধিত) অধ্যাদেশ-১৯৮২ 8) সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ অধ্যাদেশ-১৯৮৩ 9) মাছের নিরাপত্তা ও সংরক্ষণ বিধিমালা-১৯৮৫ 10) জাতীয় পরিবেশ আইন-১৯৯৫ 11) পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা-১৯৯৭ 12) জাতীয় সংরক্ষন নীতিমালা

সাংগঠনিক কাঠামো

কর্মকর্তাবৃন্দ

ছবিনামপদবিফোনমোবাইলইমেইল
জনাব জহির উদ্দিন আহমেদবিভাগীয় বন কর্মকর্তা০১৭১১-৫৮১৪২৯zahirfd84@yahoo.com
জনাব মোঃ ওসমান গনিসহকারী বন সংরক্ষক০১৭১১-৮৫৫২৮৬osmantulu1971@gmail.com
জনাব রথীন্দ্র কুমার বিশ্বাসবন্যপ্রাণী ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা০১৭১৫-৬৬৩১১১rathin_84@yahoo.com

কর্মচারীবৃন্দ

ছবিনামপদবি
জনাব মোঃ হারূন অর রশিদঅফিস সহকারী

প্রকল্পসমূহ

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগে বর্তমানে নিম্ন বর্নিত প্রকল্প সমুহ চালু রয়েছে।

 

1.      Sundarban Environmental and Livelihoods Security (SEALS) Project.

2.      Sustainable Development and Biodiversity Conservation in Coastal (Protection) Forest (SDBC-Sundarbans) Project.

3.      Biodiversity Conservation and Eco-tourism Development Project

4.      Strengthening Regional Cooperation for Wildlife Protection Project.

যোগাযোগ

বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়, সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ,

কে ডি ঘোষ রোড, খুলনা-৯১০০।

কী সেবা কীভাবে পাবেন

সুন্দরবনে মাছ ধরার অনুমতি প্রদানঃ

            যে সকল মৎস্যজীবী সুন্দরবনে মাছ ধরতে যায় তারা প্রথমে বন বিভাগের ষ্টেশনে গিয়ে বিভাগীয় দপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক মাছ ধরার নৌকা নিবন্ধন করবেন। অতঃপর সরকার কর্তৃক ধার্য্যকৃত জনপ্রতি ০৭ (সাত) দিনের রাজস্ব পরিশোধপূর্বক বনে প্রবেশের জন্য পারমিট গ্রহন করবে এবং বনে প্রবেশ করবে। সুন্দরবনের অভয়ারন্য ও নিষিদ্ধ খাল ব্যতিত তারা মৎস্য আহরন করবে। আহরন শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশিস্নষ্ট ষ্টেশনে পারমিট জমা প্রদান করে আহরিত মাছের রাজস্ব প্রদান করতঃ সার্টিফিকেট গ্রহন করবে।

                 

সুন্দরবনে ভ্রমনের অনুমতি প্রদানঃ

            সুন্দরবনে ভ্রমনে যাবার প্রাক্কালে ভ্রমনকারীদের নামের তালিকা, ভ্রমন স্থানের নাম, কতদিন ভ্রমন করতে ইচ্ছুক ও লঞ্চের সার্ভে সনদসহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করতে হবে। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কর্তৃক আবেদন যাচাই বাছাই করতঃ ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আবেদনের বিষয়টি নিষ্পত্তি করবেন। নিবন্ধিত/অনিবন্ধিত ট্যুরিষ্ট লঞ্চের মাধ্যমে পর্যটকদের সুন্দরবনে ভ্রমনের অনুমতি প্রদান করা হয়। সংশিস্নষ্ট বন ষ্টেশনে সরকার কর্তৃক ধার্যকৃত রাজস্ব পরিশোধ সাপেক্ষে ভ্রমনকারীদের সুন্দরবনে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করা হয়। প্রয়োজনে ধার্যকৃত ফি প্রদান সাপেক্ষে সশস্ত্র নিরাপত্তা দেয়া হয়।

 

গোলপাতা, মধু ও মোম সংগ্রহের অনুমতি প্রদানঃ

          বাওয়ালী ও মৌয়ালীগন গোলপাতা, মধু ও মোম সংগ্রহের জন্য সংশিস্নষ্ট ষ্টেশনে নির্দিষ্ট সময়ে বি এল সি সহ নৌকা হাজির করবে। অতঃপর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কর্তৃক দেয় পরিমানের উপর ভিত্তি করে সংশিস্নষ্ট ষ্টেশন কর্মকর্তা নৌকা যাচাই বাছাই করতঃ রাজস্ব আদায় পুর্বক গোলপাতা ও মধু সংগ্রহের অনুমতি প্রদান করে থাকেন। সাধারনতঃ অক্টোবর হতে মার্চ পর্যমত্ম গোলপাতা এবং পহেলা এপ্রিল হতে জুন পর্যমত্ম মধু সংগ্রহের অনুমতি দেয়া হয়। আহরন শেষে ফেরার পথে সংশিস্নষ্ট ষ্টেশনে পারমিট জমা প্রদান করে সার্টিফিকেট গ্রহন করবে।

মৎস্যজীবী অথবা মৎস্য ব্যবসায়ীদের সুন্দরবনে মাছ ধরার জন্য তালিকাভুক্ত করনঃ

            মৎস্যজীবি অথবা মৎস্য ব্যবসায়ীগন তালিকাভুক্তির জন্য বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করলে তদমত্ম সাপেক্ষে নির্ধারিত ফি আদায় পূর্বক তালিকাভুক্ত করা হয়। প্রতি বছরের পহেলা জুলাই হতে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে তালিকাভুক্তি সম্পন্ন করতে হয়। তবে বিলম্ব ফি প্রদান সাপেক্ষে সারা বছর তালিকাভুক্তি করা যায়।

 

নিলামে বিক্রিত কাঠের পরিবহনের জন্য অনুমতি প্রদানঃ

            নিলামে বিক্রিত কাঠ পরিবহনের জন্য বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নিকট আবেদন করলে তদমত্ম পূর্বক চলাচল পাশ ইস্যু করা হয়।

 

 

 

কাঁকড়া রপ্তানী কারকদের খামার নিবন্ধন এবং কাঁকড়া রপ্তানীর অনাপত্তি (NOC) প্রদানঃ

            কাঁকড়া রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত ফরমে কাঁকড়া খামারের জমির চুক্তিনামাসহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, প্রকৃতি সংরক্ষণ ও বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা বিভাগ, খুলনা বরাবর খামার নিবন্ধনের আবেদন করলে তদমত্ম সাপেক্ষে নির্ধারিত রাজস্ব আদায় পুর্বক কাঁকড়া খামার নিবন্ধন করা হয়।এ ছাড়া কাঁকড়া খামার মালিকগন জীবিত কাঁকড়া রপ্তানীর নিমিত্তে অনাপত্তি পত্র পাবার জন্য বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করলে তদমেত্মর ভিত্তিতে তদমত্ম পত্রে উলেস্নখিত পরিমান কাঁকড়া রপ্তানীর জন্য অনাপত্তি পত্র ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়।

 

কাঁকড়া সংগ্রহের অনুমতি প্রদানঃ

            কাঁকড়া সংগ্রহকারীগন সংশিস্নষ্ট বন ষ্টেশনে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত রাজস্ব প্রদান পুর্বক ০৭ দিন সময়ের কাঁকড়া সংগ্রহের অনুমতি গ্রহন করে। সংগ্রহ শেষে ফেরার পথে সংশিস্নষ্ট ষ্টেশনে পারমিট জমা প্রদান করবে। কাঁকড়ার প্রজনন সময় জানুয়ারী ও ফেব্রূয়ারী মাসে কাঁকড়া সংগ্রহ সম্পুর্ন নিষিদ্ধ।

প্রদেয় সেবাসমূহের তালিকা

সিটিজেন চার্টার

ক্র

মি

ক নং

সেবা প্রদানের ক্ষেত্রসমুহ

করণীয়

সেবা প্রদানের প্রাথমিক কার্যক্রম(প্রয়োজনীয় ও স্বয়ং সম্পুর্ণ তথ্যাদি প্রাপ্তি সাপেক্ষে)

গ্রাহক বা ভোক্তার বিবরণ

প্রার্থীত সেবা প্রদানের সর্বোচ্চ সময়

মমত্মব্য

০১

০২

০৩

০৪

০৫

০৬

০৭

১।

বিক্রিত বনজ দ্রব্যের চলাচল পাস প্রদান করা

প্রাপ্ত ডকুমেন্টস সমুহ যাচাই করা ও অনুমোদন গ্রহণ

চলাচল পাস ইস্যু করা

জনগন

০২ কার্যদিবস

 

২।

মাছ, কাঁকড়া, ঝিনুক, গোলপাতা, মধু ও অন্যান্য পারমিট প্রদান করা

প্রাপ্ত ডকুমেন্টস সমুহ সঠিকতা যাচাই, নথি উপস্থাপন

ষ্টেশন কর্তৃক পারমিট প্রদান করা হয়

জনগন

আহরণের পরিমাণের ভিত্তিতে নীতিমালা অনুযায়ী

 

৩।

জব্দকৃত বনজদ্রব্য বিক্রয়

দরপত্র আহবান ও দরপত্র মুল্যায়ন কমিটির  সুপারিশ গ্রহণ

অনুমোদন

জনগন

৩০ কার্যদিবস

 

৪।

সুন্দরবনে গবেষনার

জন্য অনুমতি প্রদান করা

আবেদনপত্র যাচাই ও নথি উপস্থাপন

উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন

গবেষক/

ছাত্র

১৫ কার্যদিবস

 

৫।

সুন্দরবনে ডকুমেন্টারী ফিল্ম তৈরীর অনুমতি প্রদান

আবেদনপত্র যাচাই ও নথি উপস্থাপন

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন গ্রহন

জনগন

৩০ কার্যদিবস

 

৬।

সুন্দরবনে ইকোট্যুরিজম এর জন্য পর্যটকদের অনুমতি প্রদান

নথি উপস্থাপন

অনুমোদন

জনগন

০৩ কার্যদিবস

বিভাগীয় দপ্তর থেকে

৭।

কাঁকড়া রপ্তানীর জন্য অনাপত্তি প্রদান

প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করণ

নথি উপস্থাপন ও অনুমোদন

খামারের মালিক

সুপারিশ প্রাপ্তির পর ০৭ কার্যদিবস

 

৮।

CITES পারমিট প্রদান

প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করণ

নথি উপস্থাপন ও অনুমোদন

আমত্মর্জাতিক সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান

আবেদন প্রাপ্তির পর ০৭ কার্যদিবস

 

তথ্য অধিকার

বিজ্ঞপ্তি

ডাউনলোড

আইন ও সার্কুলার